Chattogram Songlap
ছেলের মামলা তদন্তে পুলিশ, বাবার বিরুদ্ধে মামলা দুদকের

ছেলের মামলা তদন্তে পুলিশ, বাবার বিরুদ্ধে মামলা দুদকের

চট্টগ্রাম সংলাপ ডেস্ক: রাজধানীতে কলেজ শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরকে ঘিরে আলোচনা এখন তুঙ্গে। মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ।

এরমধ্যেই সায়েম সোবহানের বাবা, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান শাহ আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার বিষয়টিও সামনে চলে এসেছে।

জানা যায়, আনভীরের বাবা আহমেদ আকবর সোবহানের বিরুদ্ধে চলমান দুটি মামলা দ্রুত শেষ করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত এবং হুমায়ুন কবীর সাব্বির হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে ঘুষ দেওয়ার ঘটনায় এ দুটি মামলা করে দুদক। বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুদক আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান সংবাদমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মো. খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘আহমেদ আকবর সোবহানের বিরুদ্ধে সরকারি ১৮টি বাড়ি বরাদ্দে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে দুটি মামলা চলছে। এখন সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। মামলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এগুলো হাইকোর্টে এসেছিল। পরে সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগে যায়। মামলা দুটির বিচারিক আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। এছাড়াও তিনি (আহমেদ আকবর সোবহান) সাব্বির হত্যায় ঘুষের মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু হাইকোর্ট সে আবেদন খারিজ করে দেন। সেটিও হাইকোর্টের নির্দেশনার পর বিচারিক আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।’

মামলাগুলোর অগ্রগতি প্রসঙ্গে দুদক আইনজীবী বলেন, ‘দুদক অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এবং খুবই গুরুত্ব দিয়ে ওইসব দুর্নীতির মামলা চলমান রেখেছে, বিচারিক আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। লকডাউনের কারণে একটু সময় লাগছে। দুদক অত্যন্ত দ্রুতগতিতে মামলাটি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।’

প্রসঙ্গত, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে রাজধানীর অভিজাত এলাকায় সরকারি ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি সাজানো দরপত্র ডেকে অস্বাভাবিক কম দামে বিক্রির অভিযোগে ২০০৭ সালের মার্চে সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। এই মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন আহমেদ আকবর সোবহান।

এছাড়াও বসুন্ধরা কমিউনিকেশন্সের কর্মকর্তা সাব্বির ২০০৬ সালের ৪ জুলাই গুলশানের একটি অ্যাপার্টমেন্টে খুন হন। ৫ জুলাই তার লাশ উদ্ধারের পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু ঘটনা প্রকাশ হয়ে গেলে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে ২০ কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর ২০০৭ সালে বসুন্ধরার চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার দুই ছেলে আনভীর ও সাদাত, বসুন্ধরার সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইস্টওয়েস্ট প্রপার্টি ডেভেলপমেন্টের পরিচালক আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পরে ওই মামলায় তারেক রহমান, তার ব্যক্তিগত সহকারী নূরউদ্দীন অপু, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামালকেও আসামি করা হয়।

সূত্র: বাংলাট্রিবিউন

আরও পড়ুন: একসঙ্গে দেশ ছাড়লেন ‘বসুন্ধরার ঘরের’ ৮ জন!

csonglap,net

আরও পড়ুন

দিল্লির বিপক্ষে ‘দুর্দান্ত’ মুস্তাফিজ

newsdesk

অতিরিক্ত লবণ : উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি

newsdesk

৩০ লাখ টাকায় দেশীয় গাড়ি ‘বাংলা কার’

newsdesk