Chattogram Songlap
ডেঙ্গু : লক্ষণ ও করণীয়

ডেঙ্গু : লক্ষণ ও করণীয়

স্বাস্থ্য ডেস্ক: ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে মানুষের উদ্বেগের শেষ নেই। তবে অনেকেরই এই রোগের লক্ষণ ও রোগ ধরা পড়লে করণীয় সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধারণা নেই।

সময়কাল

জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত সাধারণত ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ থাকে। কারণ এ সময়টিতে এডিস মশার বিস্তার ঘটে। এডিস মশা অন্ধকারে কামড়ায় না। সাধারণত সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার কিছু আগে এডিস মশা তৎপর হয়ে উঠে।

বংশবিস্তার

এডিস মশা সাধারণত ডিম পাড়ে স্বচ্ছ পানিতে। বাড়ির ছাদে কিংবা বারান্দার ফুলের টবে, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন পয়েন্টে, রাস্তার পাশে পড়ে থাকা টায়ার কিংবা অন্যান্য পাত্রে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। তাই কোথাও যাতে পানি তিন থেকে পাঁচদিনের বেশি জমা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার।

ডেঙ্গুর লক্ষণ

ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি থাকতে পারে। একটানা জ্বর থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারও জ্বর আসতে পারে। এর সঙ্গে শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‌্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে।

করণীয়

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বরে আক্রান্ত হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আবার জ্বরের সঙ্গে যদি সর্দি- কাশি, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা অন্য কোন বিষয় জড়িত থাকে তাহলে সেটি ডেঙ্গু না হয়ে অন্যকিছু হতে পারে। তাই জ্বর হলেই সচেতন থাকতে হবে।

জ্বর নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করা উচিত নয়। একজন ব্যক্তি সাধারণত প্রতিদিন যেসব পরিশ্রমের কাজ করে, সেগুলো না করাই ভালো। পরিপূর্ণ বিশ্রাম প্রয়োজন।

প্রচুর পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেমন- ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের জুস এবং খাবার স্যালাইন গ্রহণ করা যেতে পারে। এমন নয় যে প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, পানি জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।

ওষুধ

ডেঙ্গু জ্বরে প্যারাসিটামল খাওয়া যায়। স্বাভাবিক ওজনের একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ চারটি প্যারাসিটামল খেতে পারেন। তবে কোনো ব্যক্তির যদি লিভার, হার্ট এবং কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা থাকে, তাহলে প্যারাসিটামল সেবনের আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

কখন হাসপাতালে ভর্তি?

সাধারণ রোগী, যাদের শুধু জ্বর থাকে, তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। কিছু ডেঙ্গু রোগীদের সবই স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়। যেমন তার পেটে ব্যথা হতে পারে, বমি হতে পারে প্রচুর কিংবা সে কিছুই খেতে পারছে না। অনেক সময় দেখা যায়, দুইদিন জ্বরের পরে শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি হওয়াই ভালো। আর রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ’র প্রয়োজন হতে পারে।

csonglap,net

আরও পড়ুন

তৈরি তেল, ডালডা ও রঙ মিশিয়ে, মোড়কে লেখা ‘আসল’ ঘি!

newsdesk

অতিরিক্ত লবণ : উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি

newsdesk

যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর গুলি, নিহত ৮

newsdesk